Labels

Sunday, December 4, 2016

নড়া দাঁত, কিছু নিয়ম মানলে হবে মজবুত!




নড়া দাঁত মজবুত করার কিছু ঘরোয়া উপায়



দাঁত নড়া একটি রোগ, যাকে পেরিওডোন্টাম বলা হয়। এটি দাঁতের পার্শ্ববর্তী টিস্যুকে আক্রমণ করে এবং দাঁত সমর্থনকারী হাড়কেও প্রভাবিত করে।দাঁত নড়া একটি রোগ, যাকে পেরিওডোন্টাম বলা হয়। এটি দাঁতের পার্শ্ববর্তী টিস্যুকে আক্রমণ করে এবং দাঁত সমর্থনকারী হাড়কেও প্রভাবিত করে।গবেষকদের ভাষায়, ফাইব্রাস টিস্যু যা হাড়ের সঙ্গে দাঁতের সংযোগ ঘটায়, নরম এবং ভঙ্গুর হয়ে যাবার ফলে দাঁত নড়তে থাকে।অত্যধিক দাঁত বা মাড়ি পরিষ্কার, দাঁতের সংক্রমণ, অর্থোডোন্টিক চিকিৎসা যেমন : কামড় সমন্বয়, বার্ধক্য, মৌখিক স্বাস্থ্যবিধির অভাব, মাড়ির ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ এবং পারিবারিক সূত্রও দাঁত নড়ার কারণ হতে পারে।
আলগা দাঁত, খাবার খেতে অস্বস্তি বোধ, নড়া দাঁতের আশপাশে লাল হয়ে টিস্যুর ফুলে যাওয়া, দাঁত ব্যথা ইত্যাদি দাঁত নড়ার লক্ষণ হতে পারে।
নড়া দাঁতের কীভাবে চিকিৎসা করবেন এ নিয়ে ভাবছেন? এতো চিন্তা করছেন কেন? বোল্ডস্কাইয়ের তথ্যে মতে, এ সমস্যার সমাধান রয়েছে আপনার হাতের কাছেই!

নিম্নে নড়া দাঁত মজবুত করার কিছু ঘরোয়া উপায় আলোচনা করা হল :

মুখ ধোয়া : ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে দাঁত নড়া শুরু হতে পারে। সর্বদা মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করুন এবং দিনে দুবার দাঁত ব্রাশ করুন। সবসময় খাওয়ার পরে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার করা আবশ্যক।

কালো মরিচ এবং হলুদ : মরিচ গুঁড়া ও হলুদের একটি পেস্ট তৈরি করুন এবং আপনার মাড়ি ওপর আলতো করে ম্যাসাজ করুন। প্রয়োগের তিরিশ মিনিট পর খাবার খান। এতে মাড়ির ব্যথা ও ফোলা উপশম হবে।

লবণ এবং সরিষার তেল : সরিষার তেলের সঙ্গে এক চা চামচ লবণ মেশান এবং মৃদু মালিশ দ্বারা আপনার মাড়ি ওপর প্রয়োগ করুন। দাঁত নড়া সমস্যায় এটি সেরা ঘরোয়া প্রতিকার।

আমলা : আমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এই ভিটামিন মাড়ি ও দাঁতের সংযুক্ত টিস্যু নিরাময় করতে সাহায্য করে। এটি নড়া দাঁত নিরাময় করতে সাহায্য করে। আমলার রস দিয়ে দিনে অনেকবার মুখ কুলকুচি করে নিন। আপনি রসটি পানও করতে পারেন।

ওরেগানো তেল : এটি মাড়ি এবং টিস্যুর ব্যথা সারিয়ে তোলে। আপনার মাড়ির ওপর ওরেগানো তেল দিয়ে ম্যাসেজ করুন। এটা স্বাভাবিকভাবেই দাঁত সারিয়ে তুলবে ও নড়া দাঁত প্রতিরোধ করবে।

লবণ : এক গ্লাস জলে নুন গুলে মুখ কুলকুচি করে নিন। এটা সব মৌখিক সংক্রমণ নাশ করবে কারণ লবণে এন্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য আছে। এটা আপনার মাড়ি শক্ত করবে এবং দাঁত নড়া প্রতিরোধ করবে।

তরল পথ্য : শক্ত খাবার খাওয়ার সময় যদি আপনি ব্যথা অনুভব করেন, তাহলে উষ্ণ সবজি বা মুরগির স্যুপ খাওয়াই ভাল। এতে ব্যথা এবং প্রদাহ উপশম হবে। এছাড়া এটি আপনার শরীরে পুষ্টি সরবরাহ করবে যা সংক্রামণের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করবে।

পিপারমিন্ট অয়েল : এটা ব্যথা এবং মাড়ির প্রদাহ উপশম করতে সাহায্য করে যার ফলে নড়া দাঁতের সমস্যা  দূর হয়।

লবঙ্গ তেল : এটি দাঁত ব্যথা এবং মাড়ি প্রদাহের জন্য একটি সুপরিচিত প্রতিকার।এটা মাড়ি মজবুত করতে সাহায্য করে। আপনার মাড়ির ওপর ম্যাসেজ করুন ব্যথা ও প্রদাহ থেকে স্বস্তি পেতে এবং এটি দাঁত নড়া  ঠিক করতেও সাহায্য করে।

এছাড়া দাঁত নড়া সমস্যা থেকে নিস্তার পেতে সবুজ শাক সবজি খান। সবুজ শাক-সবজি সংক্রমণ থেকে আপনাকে দূরে রাখে।  আপনার খাদ্যের মধ্যে সবুজ সবজি স্যালাড হিসেবে খাওয়ার অভ্যাস করুন।

সাবধানতা : আম্লিক ফলমূল এড়িয়ে চলুন অত্যধিক আম্লিক ফল যেমন লেবু দাঁতের এনামেল ধ্বংস করে এবং দাঁতের শিকড় অনাবৃত করে যা দাঁত সংবেদনশীল এবং আলগা করে দেয়।

দাঁত শুভ্রকরণের উপাদান এড়িয়ে চলুন এই সব উপাদানে ব্লিচিং এজেন্ট থাকে যা দাঁতের এনামেল ও শিকড় ধ্বংস করে । এছাড়া এগুলি, টিস্যুগুলিকে দুর্বল করে দেয়।






সূর্যের আলোতেই সারিয়ে নিন মারাত্মক সব রোগ


ভিটামিন ডি-র অভাব শরীরকে কাবু করে ফেলে যার ফল অসময়ে মৃত্যু।



ভিটামিন ডির অভাবে বাড়ছে নানা রোগের আক্রমণ। খাবারের পাশাপাশি যার অন্যতম উৎস সূর্যের আলো। ভিটামিন ডি হাড় ও কোষের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। ত্বকের জ্বালা কমাতে সাহায্য করে। শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফেটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ব্রিটিশ জার্নাল অফ সাইকিয়াট্রির সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, যাদের শরীরে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ কম, তাদের অবসাদে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অন্যদের তুলনায় দ্বিগুণ। ৩১ হাজার মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাসসহ কিছু অংশ ভিটামিন ডি-র সাহায্যে মন চনমনে রাখতে সাহায্য করে। যাদের শরীরে ভিটামিন ডি কম, তাদের মধ্যে স্ফূর্তিও তুলনামূলকভাবে কম। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের শরীরে ভিটামিন ডি বেশি, তারা ক্যান্সারের সঙ্গে বেশি ফাইট করতে পারেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভিটামিন ডি ১০ শতাংশ বাড়লে ক্যান্সারে সারভাইভালের সম্ভাবনা চার শতাংশ বেড়ে যায়। ক্লিনিক্যাল ক্যান্সার রিসার্চের জার্নালে উল্লেখিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে প্রস্টেট ক্যান্সারের বিপদ ৪ থেকে ৫ গুণ বেড়ে যায়। প্রাপ্ত বয়স্করা যদি বেশি মাত্রায় ভিটামিন ডি-র ঘাটতিতে ভোগেন, তাদের ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ হওয়ার প্রবণতা ৫৩ গুণ বেড়ে যায়। এর সঙ্গে রয়েছে অ্যালজেইমার্সের বিপদ। সোরিয়াটিক আর্থারাইটিস বা বাতের সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদের ৬২ শতাংশের শরীরেই প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভিটামিন ডি নেই। যাদের শরীরে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ কম, তাদের করোনারি আর্টারি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা ৩২ শতাংশ বেশি। ভিটামিন ডি-র ঘাটতিতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা আড়াই গুণ বেশি। সাইকিয়াট্রিক হেলথের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি-র গুরুত্ব অসীম। রক্তে ভিটামিন ডি কম থাকলে সিজোনফ্রেনিয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। ভিটামিন ডি-র ঘাটতি স্নায়ুর সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। ভিটামিন ডি-র অভাব শরীরকে কাবু করে ফেলে যার ফল অসময়ে মৃত্যু।

Friday, December 2, 2016

ফাস্টফুড চোখের ক্ষতি করে!


অতিরিক্ত ফ্যাটজাতীয় খাবার মানেই চোখে চশমা।




অতিরিক্ত ফ্যাটজাতীয় খাবার মানেই চোখে চশমা। অন্ধত্বের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে যাওয়া। এমনটিই জনিয়েছেন চিকিৎসকরা। ফাস্টফুড মানেই ফ্যাটজাতীয় খাবার। যা নানা রগের কারণও বটে। তাই ফাস্টফুডে অভ্যস্ত হয়েছেন তো মরেছেন! ফাস্টফুড কারণে হাজারো সমস্যার কথা চিকিৎসকরা বারবার জানিয়েছেন। অম্বল, গ্যাস, ওবেসিটি, কোলেস্টেরল, ব্লাড প্রেশার, এমনকি স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে ফাস্টফুডের কারণেই।  আমরা সবাই জানি, অতিরিক্ত ফ্যাটজাতীয় খাবার মানেই চোখের ক্ষতি! যা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্ধত্বও ডেকে আনতে পারে। কিন্তু কে শুনে সে কথা! জিভের লোভের সঙ্গে যে আমরা আপস করতে রাজি না।

Thursday, December 1, 2016

পাইলসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়

মলদ্বার ফুলে যাওয়া, মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ লক্ষণ।

বর্তমানে পাইলস বা হেমোরয়েড পরিচিত একটি রোগ। সাধারণত ৪৫ থেকে ৬৫ বয়সী মানুষজন এই রোগে বেশি ভুগে থাকেন। মলদ্বার ফুলে যাওয়া, মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ লক্ষণ। মূলত কম ফাইবারযুক্ত খাবার, স্থূলতা, কোষ্ঠকাঠিন্য,  শারীরিক কার্যকলাপ, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা ইত্যাদি কারণে পাইলস দেখা দিতে পারে। এই রোগে হলে সাধারণত ওষুধ বা অপারেশন মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। তবে ঘরোয়া উপায়েও অনেক সময় এ সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। যেমন:-

 * অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার অ্যালোভেরা জেল আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি জ্বালাপোড়া দূর করে ব্যথা কমিয়ে দেবে। যা সাময়িক কষ্ট লাগব করতে বেশ সহায়ক।

 * অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার একটি তুলোর বলে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। শুরুতে এটি জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করবে, কিন্তু ১০ মিনিট অপেক্ষা করার পরই জ্বালাপোড়া কমে যাবে। এটি দিনে কয়েকবার করুন।

* অলিভ অয়েলের গুণাগুণ  আপনি যদি প্রতিদিন এক চা চামচ করে অলিভ অয়েল খান। তবে এটি দেহের প্রদাহ হ্রাস করবে এবং মোনোস্যাচুরেটেড চর্বি উন্নত করবে। এছাড়া কিছু বরই পাতা গুঁড়ো করে অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এটি আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। দেখবেন ১০ মিনিটের মধ্যে আপনার ব্যথা কমে গেছে।

* বরফ ব্যবহার করুন একটি কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে ১০ মিনিট রাখুন। এটি দিনে কয়েকবার করুন। ব্যথা কমে যাবে।

* আদা বা লেবুর রস  আদাকুচি, লেবু এবং মধু মিশ্রিত জুস দিনে দুইবার পান করুন। এটি নিয়মিত পান করুন। এটি শরীর হাইড্রেটেড করে পাইলস দূর করে দেয়। এছাড়া দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন।

Wednesday, November 30, 2016

সপ্ত খাদ্যগুণে বাড়বে যৌনতা


যৌনজীবনকে  আরও রোমাঞ্চকর করতে চান?

স্বাভাবিক সুস্থতার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় বিষয়ের মধ্যে যৌনতা অন্যতম। গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনে এটি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলে বিশেষ কোনো রোগ আক্রমণ করতে পারবে না। তবে যৌনজীবনকে যদি আরও রোমাঞ্চকর করতে চান, বেশ কিছু খাবার সাহায্য করতেই পারে। পাঠকদের জন্য তেমনই সাত ধরনের খাবারের তথ্য তুলে ধরা হলো:-

  ১. অ্যাভোকাডো খাওয়া যৌনতার জন্য বেশ উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে অসম্পৃক্ত ফ্যাট রয়েছে। তবে সম্পৃক্ত ফ্যাটের পরিমাণ একেবারেই কম। তাই এটি হৃৎপিণ্ড ও ধমনীর স্বাস্থের জন্য খুবই ভালো। হৃৎস্পন্দন সঠিক হলে সারা দেহে রক্তের সংবহন পর্যাপ্ত পরিমাণে হয়। তাই দুর্বল হৃদয়ের জন্যেও এটি বেশ কার্যকরী।

২. আমন্ড বাদাম যৌনচাহিদা বাড়াতে সক্ষম। পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি স্পার্ম কাউন্ট বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, এবং ভিটামিন ই রয়েছে। জিঙ্ক কামশক্তি ও যৌনচাহিদা বাড়াতেও সাহায্য করে। এছাড়াও এতে বেশ কিছু খনিজ পদার্থ রয়েছে যা যৌনস্বাস্থ্য ও প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সক্ষম।

৩. স্ট্রবেরি ফলিক অ্যাসিডের এক অন্যতম উৎস। এই জাতীয় উপাদান নারীদের প্রজননে সাহায্য করে এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রবেরি পুরুষদের স্পার্ম কাউন্য বাড়াতেও সক্ষম।
৪. সামুদ্রিক মাছও কামশক্তি বাড়াতে সহায়ক। এটিও জিঙ্কের একটি উৎস যা লিবিডো বাড়াতে সক্ষম। এছাড়াও তৈলাক্ত মাছ হৃদয়ের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

৫. লেটুস পাতাও এ বিষয়ে বেশ উপযোগী। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে বেশ কিছু উপাদেয় খনিজ পদার্থ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। যে পারিপাশ্বিক চাপের ফলে কামশক্তি বিঘ্নিত করে লেটুস পাতা তাদের পরিশুদ্ধ করে।

৬. প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে ডুমুর অত্যন্ত উপযোগী। এতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার আছে। ফলে এটি শরীরে কাম উত্তেজনা বাড়াতে সক্ষম। এছাড়াও এটি হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

 ৭. লেবু জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে যা পুরুষের প্রজনন ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করতে সক্ষম।

নিত্যব্যবহার্য জিনিসেই লুকিয়ে আছে ক্যানসারের বীজ

ক্যানসার রোগ সারা এখনও চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধরা।


ক্যানসার এমন একটি রোগ, যাকে নিশ্চিতভাবে সারাবার মতো ওষুধ এখনও চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধরা। কাজেই রোগের চিকিৎসার তুলনায় রোগ প্রতিরোধ ভাল— ক্যানসারে ক্ষেত্রে এই নীতি মেনে চলাই শ্রেয়। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রিভেনশন অফ ক্যানসার নামের সংস্থার স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এমন ৪টি দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসের তালিকা, যেগুলির নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ক্যানসারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

 জেনে নিন কোন সেই ৪টি জিনিস

১. কৃত্রিম চিনি:  স্যাকারিন জাতীয় কৃত্রিম চিনিতে থাকে অ্যাকেসুফ্লেম কে— যা শরীরে টিউমার তৈরির কারণ হিসেবে কাজ করে, অ্যাসপারটেম— যা স্কিন ক্যানসারের অন্যতম কারণ, স্যাখারিন— যা রেচনতন্ত্রের ক্যানসার সৃষ্টি করে, এবং সর্বিটল— যা পেটের নানা সমস্যার কারণ। কাজেই কৃত্রিম চিনি দূরে সরিয়ে রেখে, প্রাকৃতিক চিনি খাওয়াই স্বাস্থ্যকর।

২. এয়ার ফ্রেশনার:  ঘর সুরভিত রাখার জন্য অনেকেই এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই ধরনের এয়ার ফ্রেশনার শুধু যে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে তা-ই নয়, এমন কিছু রাসায়নিক এয়ার ফ্রেশনারে থাকে, যেগুলি ফুসফুস ও শ্বাসনালীর ক্যানসারের কারণ হিসেবে কাজ করে। কাজেই এয়ার ফ্রেশনারের বদলে ঘরের কোণে কোণে পুদিনা পাতা ভেজানো পানি ছিটিয়ে দিন। এতে ঘর সুরভিত থাকবে।

 ৩. অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু:  খুসকি তাড়ানোর জন্য যে শ্যাম্পু ব্যবহার করা হয় তাতে মিথাইলোক্লোরোইসোথিয়াজোলনোন এবং অ্যামোনিয়াম সালফেটের মতো কিছু রাসায়নিক থাকে, যেগুলি কার্সিনোজেনিক হিসেবে প্রমাণিত। কাজেই এই ধরনের শ্যাম্পুর ব্যবহার কমিয়ে খুসকি তাড়ানোর কোন প্রাকৃতিক কৌশল কাজে লাগানো উচিৎ।

৪. অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান:  ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিআই) সমীক্ষায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়া মারার জন্য যে সাবান ব্যবহার করা হয়, তাতে এমন কিছু রাসায়নিক থাকে যেগুলি স্কিন ক্যানসার সৃষ্টি করে।

Wednesday, November 9, 2016

দুধ চা নাকি রং চা? ( TEA)

দুধ চা নাকি রং চা?


আড্ডায় বসে ‘কী চা খাবেন’ জিজ্ঞাসা করা হলে দ্বিধায় পড়ে যান অনেকেই। আবার অনেকেই জানেন না, কোন চা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে আসলেই ভালো। সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে যে চা খেতে মন চায় আমরা সেটাই পছন্দ করি। কিন্তু প্রশ্ন কী আসে না, আসলে কোন চা খাওয়া উচিত?
জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় কয়েকজন ব্যক্তিকে পর্যায়ক্রমে রং চা, দুধ চা এবং গরম পানি খেতে দেয়া হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, রং চা রক্তনালীর প্রসারণ ঘটায় যা উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রনের জন্য অত্যন্ত জরুরী।
আবার বিখ্যাত পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমস-এর একটি বিজ্ঞান বিষয়ক ক্রোড়পত্রের মাধ্যমে জানা যায়, দুধ মেশালে চায়ের উপকারী গুণগুলো কিছুটা কমে যায়। সে হিসেবে রং চা পছন্দ করা উচিত।
চায়ে আছে ট্যানিন নামক এক ক্ষতিকর উপাদান, যা গলার (খাদ্যনালি) ক্যানসারের কারণ হয়। চা পাতা বেশি জ্বাল দিলে এই ক্ষতিকর ট্যানিনের আবির্ভাব ঘটে। আবার এই চায়ে কিছুটা দুধ মেশালে ট্যানিনের ক্ষতির মাত্রা কমে আসে। দুধ চায়ের ট্যানিনকে আঁকড়ে ধরে এবং তাকে শরীরে মিশতে দেয় না।
সাধারণত আমাদের দেশে দোকানে যে সব চা পাওয়া যায়, সেসব চায়ের পাতা দীর্ঘক্ষণ ধরে জ্বাল দেয়া হয়। ফলে তাতে ক্ষতিকর ট্যানিনের মাত্রা বেশি থাকে বলে সহজেই অনুমেয়। তাই দোকানে চা খেতে হলে রং চা না খেয়ে দুধ চা খাওয়াই উত্তম।
আর যেহেতু দুধ চা থেকে রং চা বেশি উপকারী তাই বাসায় খেলে পরিমিতি জ্বালে রং চা খাওয়াই ভালো।



Monday, November 7, 2016

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রেম টেকে না কেন?‌



সোশ্যাল মিডিয়া এখন দারুণ জনপ্রিয় মাধ্যম। ফেসবুক, ট্যুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ, স্নাপচ্যাটে হচ্ছে বন্ধুত্ব, হচ্ছে প্রেম। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব সম্পর্ক বেশিদিন টিকে থাকে না। এমনকি অনেক প্রতারণার ঘটনাও ঘটে। এর পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ:-
 ❏‌ মিথ্যা:‌ ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক সময় একজন ব্যক্তি বা নারী সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া থাকে। এমনকী একে-‌অপরকে নিজেদের সম্পর্কে মিথ্যা কথাও বলেন অনেকে। পরে সেই সমস্ত কথা প্রকাশ্যে আসলে ঝামেলার সূত্রপাত হয়।
 ‌❏ যৌনতাপ্রিয় মানুষ:‌ অনেকেই আছেন যারা কেবল যৌনসুখের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি করেন। তার জন্য এমন অনেক তথ্যই তারা দেন যেগুলোর কোনও ‌সত্যতা নেই। প্রথম সাক্ষাতেই এরা নিজেদের চাহিদা মেটানোর কথা ভাবতে থাকে। তবে এক্ষেত্রে মেয়েদের থেকে এগিয়ে ছেলেরা।
 ❏‌ বাস্তবের সঙ্গে ছবির অমিল:‌ এমন অনেকেই আছেন যাদের মুখের সঙ্গে ছবির অমিল থাকে অনেক বেশি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন ছবি দেওয়া হয় তখন তা এডিট করে সুন্দর করা হয়। কেউ কেউ আবার অন্যের ছবি ব্যবহার করেন। যে কারণে প্রথমবার দেখা করতে এসে অনেকে হয়ত হতাশ হয়ে পড়েন। ফলে সম্পর্ক তৈরি হওয়ার আগেই নষ্ট হওয়ার দিকে এগিয়ে যায়।
 ❏‌ দূরত্ব:‌ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমেরিকায় বসবাসকারী কারোর প্রেমে পড়েছেন। কিন্তু আপনি থাকেন বাংলাদেশে। সেক্ষেত্রে বেশিবার দু’‌জনের দেখা হওয়াটা প্রায় অসম্ভব। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় এই সম্পর্কগুলো মাঝপথেই হাল ছেড়ে দেয়।
 ❏‌ ভাগ্য:‌ সোশ্যাল মিডিয়ায় কারোর প্রোফাইল দেখে আপনার পছন্দ হল। কিন্তু তিনি আসলে কেমন আপনি সেটা জানতেই পারলেন না। ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে ভাল, কিন্তু খারাপ হলে সেই প্রেম কি আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে? ‌❏‌ নিজের মত না থাকা:‌ বিপরীত মানুষটিকে একঝলক দেখে ভাল লেগে গেছে। তার মনে ছাপ ফেলতে আপনি নিজেকে তার মতো করে দেখানোর চেষ্টা করছেন। তাহলে এই ভুলটিই সবচেয়ে মারাত্মক। কারণ সেক্ষেত্রে আপনি নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করছেন। আর নিজেকে বা অপরকে বদলে কখনও কোনও সম্পর্ক টেকে না।

আঙুলের কড়ে ভবিষ্যৎ জানুন

লক্ষণশাস্ত্র এমন একটি বিদ্যা যা দেহের বিভিন্ন বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মানুষের অতীত ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চর্চা করে থাকে। এই বিদ্যার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোনো মানুষের শারীরিক গঠনের বিশ্লেষণের মাধ্যমেই জানা সম্ভব তার ব্যক্তিত্ব, ভূত ও ভবিষ্যৎ।
এই বিদ্যা বলে আঙুলের কড়ে যে তিনটি ভাগ রয়েছে তার গঠনেও একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ নিহিত থাকার বিষয়টি জানা যায়। কেউ চাইলে, নিজের আঙুলের কড়ের দিকে তাকিয়ে নিজেই জেনে নিতে পারবেন নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে। আঙুলের মতো আঙুলের কড়েও থাকে তিনটি ভাগ। ওই ভাগগুলোকেই বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানা যাবে। প্রথমেই লক্ষ্য করলে দেখা যাবে আঙুলের কড়ে তিনটি ভাগের দৈর্ঘ্য আলাদা। তাই আঙুলের ডগার উপরের দিক থেকে তিনটি অংশকে যথাক্রমে ১,২,৩ নামে চিহ্নিত করার পর বিশ্লেষণে করলে দেখা যায়:-

 ১. যদি ১ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হয় : যদি আঙুলের উপরের ভাগটি অন্য অংশের চেয়ে বড় হয় তাহলে ব্যক্তি খুব সহজেই অন্যদের মন জয় করে নিতে পারেন। তার ভাষাগত দক্ষতা অসাধারণ ও আপনার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাও অতুলনীয় হয়।
২. যদি ২ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হয় : ২ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হলে অন্যদের সেবা ও সাহায্য করার মানসিকতা ওই ব্যক্তির মধ্যে রয়েছে। ডাক্তার এবং নার্সদের মধ্যে সাধারণত এই অংশটি দীর্ঘ হয়।

৩. যদি ৩ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হয় : এই ধরনের মানুষেরা সৎ ও সত্যবাদী হন। তাদের কথা বলার দক্ষতা থাকে, পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে মেলামেশাতেও তারা পটু হন।

৪. যদি ১ নম্বর অংশটি সবচেয়ে ছোট হয় : এই ধরনের মানুষেরা নার্ভাস প্রকৃতির এবং মানসিকভাবে দুর্বল হন। পাশাপাশি বন্ধুবান্ধবরা তাদের পছন্দ করেন না।

৫. যদি ২ নম্বর অংশটি সবচেয়ে ছোট হয় : এমন‌টা হলে ব্যক্তি জেদী এবং কিছুটা আলসে প্রকৃতির হন। জীবনে কোনো রকম পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে তার অসুবিধা হয়।

৬. যদি ৩ নম্বর অংশটি সবচেয়ে ছোট হয় : এমনটি হলে ব্যক্তি সহজ-সরল এবং বিশ্বাসী হন। তবে তার একটু সতর্ক থাকতে হবে যে, কেউ যাতে তাকে চট করে বোকা বানাতে না পারে।

চুম্বনের সময় চোখ বন্ধ হয়ে যায় কেন?

কথায় বলে দুজন মানুষ শারীরিকভাবে কাছাকাছি আসার প্রথম পদক্ষেপ চুম্বন বা কিস৷দুজন প্রেমিক-প্রেমিকাকে কাছাকাছি আনতে, তাদের মধ্যে দূরত্ব কমাতে বা সম্পর্কে উষ্ণতা আনতে চুম্বনের কার্যকরী ভূমিকা রয়েছে বই কী৷ কিন্তু এই চুম্বনের সবার চোখ বুজে যায়। কেন চুম্বনের সময়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়, তার বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা রয়েছে। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের রয়্যাল হলোওয়ের একটি গবেষণায় বলা হচ্ছে, চুম্বনের সময়ে যে পরিমাণ উত্তেজনা তৈরি হয়, তা মস্তিষ্কের পক্ষে এককভাবে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। চোখ খোলা রেখে চুম্বন করলে, স্পর্শের যে অনুভূতি, তা নষ্ট হতে পারে। গবেষকরা বলছেন, নাচ বা চুম্বনের মতো ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক স্পর্শের অনুভূতি পেতে চায়। সেই মুহূর্তে অন্য কোনো অনুভূতি পেতে চায় না শরীর। এক্ষেত্রে যাদের উপর গবেষণা চালানো হয়েছিল তাদের সকলকে দেওয়া হয়েছিল বর্ণ সন্ধানের একটি কাজ। বিভিন্ন স্তরে তাদের বিভিন্ন বর্ণ খুঁজতে বলা হয়েছিল। বর্ণ খুঁজে পাওয়ার সময়ে একহাতে লাগানো যন্ত্রের সাহায্যে মাপা হয়েছিল মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া। এ জন্য দেওয়া হয়েছিল অত্যন্ত কন পরিমাণের ভাইব্রেশন। এর থেকে গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, স্পর্শের অনুভূতি বা সচেতনতা নির্ভর করে একটি বিশেষ জিনিসের উপরে। যদি একইসঙ্গে দেখা এবং স্পর্শের কাজ করতে হয়, মস্তিষ্ক যে কোনো একটি বেছে নেয়। চুম্বনের ক্ষেত্রে চোখ বন্ধ হয়ে যায় সে কারণেই।