Labels

Wednesday, November 30, 2016

সপ্ত খাদ্যগুণে বাড়বে যৌনতা


যৌনজীবনকে  আরও রোমাঞ্চকর করতে চান?

স্বাভাবিক সুস্থতার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় বিষয়ের মধ্যে যৌনতা অন্যতম। গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনে এটি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলে বিশেষ কোনো রোগ আক্রমণ করতে পারবে না। তবে যৌনজীবনকে যদি আরও রোমাঞ্চকর করতে চান, বেশ কিছু খাবার সাহায্য করতেই পারে। পাঠকদের জন্য তেমনই সাত ধরনের খাবারের তথ্য তুলে ধরা হলো:-

  ১. অ্যাভোকাডো খাওয়া যৌনতার জন্য বেশ উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে অসম্পৃক্ত ফ্যাট রয়েছে। তবে সম্পৃক্ত ফ্যাটের পরিমাণ একেবারেই কম। তাই এটি হৃৎপিণ্ড ও ধমনীর স্বাস্থের জন্য খুবই ভালো। হৃৎস্পন্দন সঠিক হলে সারা দেহে রক্তের সংবহন পর্যাপ্ত পরিমাণে হয়। তাই দুর্বল হৃদয়ের জন্যেও এটি বেশ কার্যকরী।

২. আমন্ড বাদাম যৌনচাহিদা বাড়াতে সক্ষম। পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি স্পার্ম কাউন্ট বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, এবং ভিটামিন ই রয়েছে। জিঙ্ক কামশক্তি ও যৌনচাহিদা বাড়াতেও সাহায্য করে। এছাড়াও এতে বেশ কিছু খনিজ পদার্থ রয়েছে যা যৌনস্বাস্থ্য ও প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সক্ষম।

৩. স্ট্রবেরি ফলিক অ্যাসিডের এক অন্যতম উৎস। এই জাতীয় উপাদান নারীদের প্রজননে সাহায্য করে এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রবেরি পুরুষদের স্পার্ম কাউন্য বাড়াতেও সক্ষম।
৪. সামুদ্রিক মাছও কামশক্তি বাড়াতে সহায়ক। এটিও জিঙ্কের একটি উৎস যা লিবিডো বাড়াতে সক্ষম। এছাড়াও তৈলাক্ত মাছ হৃদয়ের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

৫. লেটুস পাতাও এ বিষয়ে বেশ উপযোগী। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে বেশ কিছু উপাদেয় খনিজ পদার্থ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। যে পারিপাশ্বিক চাপের ফলে কামশক্তি বিঘ্নিত করে লেটুস পাতা তাদের পরিশুদ্ধ করে।

৬. প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে ডুমুর অত্যন্ত উপযোগী। এতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার আছে। ফলে এটি শরীরে কাম উত্তেজনা বাড়াতে সক্ষম। এছাড়াও এটি হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

 ৭. লেবু জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে যা পুরুষের প্রজনন ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করতে সক্ষম।

নিত্যব্যবহার্য জিনিসেই লুকিয়ে আছে ক্যানসারের বীজ

ক্যানসার রোগ সারা এখনও চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধরা।


ক্যানসার এমন একটি রোগ, যাকে নিশ্চিতভাবে সারাবার মতো ওষুধ এখনও চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধরা। কাজেই রোগের চিকিৎসার তুলনায় রোগ প্রতিরোধ ভাল— ক্যানসারে ক্ষেত্রে এই নীতি মেনে চলাই শ্রেয়। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রিভেনশন অফ ক্যানসার নামের সংস্থার স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এমন ৪টি দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসের তালিকা, যেগুলির নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ক্যানসারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

 জেনে নিন কোন সেই ৪টি জিনিস

১. কৃত্রিম চিনি:  স্যাকারিন জাতীয় কৃত্রিম চিনিতে থাকে অ্যাকেসুফ্লেম কে— যা শরীরে টিউমার তৈরির কারণ হিসেবে কাজ করে, অ্যাসপারটেম— যা স্কিন ক্যানসারের অন্যতম কারণ, স্যাখারিন— যা রেচনতন্ত্রের ক্যানসার সৃষ্টি করে, এবং সর্বিটল— যা পেটের নানা সমস্যার কারণ। কাজেই কৃত্রিম চিনি দূরে সরিয়ে রেখে, প্রাকৃতিক চিনি খাওয়াই স্বাস্থ্যকর।

২. এয়ার ফ্রেশনার:  ঘর সুরভিত রাখার জন্য অনেকেই এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই ধরনের এয়ার ফ্রেশনার শুধু যে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে তা-ই নয়, এমন কিছু রাসায়নিক এয়ার ফ্রেশনারে থাকে, যেগুলি ফুসফুস ও শ্বাসনালীর ক্যানসারের কারণ হিসেবে কাজ করে। কাজেই এয়ার ফ্রেশনারের বদলে ঘরের কোণে কোণে পুদিনা পাতা ভেজানো পানি ছিটিয়ে দিন। এতে ঘর সুরভিত থাকবে।

 ৩. অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু:  খুসকি তাড়ানোর জন্য যে শ্যাম্পু ব্যবহার করা হয় তাতে মিথাইলোক্লোরোইসোথিয়াজোলনোন এবং অ্যামোনিয়াম সালফেটের মতো কিছু রাসায়নিক থাকে, যেগুলি কার্সিনোজেনিক হিসেবে প্রমাণিত। কাজেই এই ধরনের শ্যাম্পুর ব্যবহার কমিয়ে খুসকি তাড়ানোর কোন প্রাকৃতিক কৌশল কাজে লাগানো উচিৎ।

৪. অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান:  ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিআই) সমীক্ষায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়া মারার জন্য যে সাবান ব্যবহার করা হয়, তাতে এমন কিছু রাসায়নিক থাকে যেগুলি স্কিন ক্যানসার সৃষ্টি করে।