Labels

Sunday, December 4, 2016

নড়া দাঁত, কিছু নিয়ম মানলে হবে মজবুত!




নড়া দাঁত মজবুত করার কিছু ঘরোয়া উপায়



দাঁত নড়া একটি রোগ, যাকে পেরিওডোন্টাম বলা হয়। এটি দাঁতের পার্শ্ববর্তী টিস্যুকে আক্রমণ করে এবং দাঁত সমর্থনকারী হাড়কেও প্রভাবিত করে।দাঁত নড়া একটি রোগ, যাকে পেরিওডোন্টাম বলা হয়। এটি দাঁতের পার্শ্ববর্তী টিস্যুকে আক্রমণ করে এবং দাঁত সমর্থনকারী হাড়কেও প্রভাবিত করে।গবেষকদের ভাষায়, ফাইব্রাস টিস্যু যা হাড়ের সঙ্গে দাঁতের সংযোগ ঘটায়, নরম এবং ভঙ্গুর হয়ে যাবার ফলে দাঁত নড়তে থাকে।অত্যধিক দাঁত বা মাড়ি পরিষ্কার, দাঁতের সংক্রমণ, অর্থোডোন্টিক চিকিৎসা যেমন : কামড় সমন্বয়, বার্ধক্য, মৌখিক স্বাস্থ্যবিধির অভাব, মাড়ির ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ এবং পারিবারিক সূত্রও দাঁত নড়ার কারণ হতে পারে।
আলগা দাঁত, খাবার খেতে অস্বস্তি বোধ, নড়া দাঁতের আশপাশে লাল হয়ে টিস্যুর ফুলে যাওয়া, দাঁত ব্যথা ইত্যাদি দাঁত নড়ার লক্ষণ হতে পারে।
নড়া দাঁতের কীভাবে চিকিৎসা করবেন এ নিয়ে ভাবছেন? এতো চিন্তা করছেন কেন? বোল্ডস্কাইয়ের তথ্যে মতে, এ সমস্যার সমাধান রয়েছে আপনার হাতের কাছেই!

নিম্নে নড়া দাঁত মজবুত করার কিছু ঘরোয়া উপায় আলোচনা করা হল :

মুখ ধোয়া : ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে দাঁত নড়া শুরু হতে পারে। সর্বদা মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করুন এবং দিনে দুবার দাঁত ব্রাশ করুন। সবসময় খাওয়ার পরে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার করা আবশ্যক।

কালো মরিচ এবং হলুদ : মরিচ গুঁড়া ও হলুদের একটি পেস্ট তৈরি করুন এবং আপনার মাড়ি ওপর আলতো করে ম্যাসাজ করুন। প্রয়োগের তিরিশ মিনিট পর খাবার খান। এতে মাড়ির ব্যথা ও ফোলা উপশম হবে।

লবণ এবং সরিষার তেল : সরিষার তেলের সঙ্গে এক চা চামচ লবণ মেশান এবং মৃদু মালিশ দ্বারা আপনার মাড়ি ওপর প্রয়োগ করুন। দাঁত নড়া সমস্যায় এটি সেরা ঘরোয়া প্রতিকার।

আমলা : আমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এই ভিটামিন মাড়ি ও দাঁতের সংযুক্ত টিস্যু নিরাময় করতে সাহায্য করে। এটি নড়া দাঁত নিরাময় করতে সাহায্য করে। আমলার রস দিয়ে দিনে অনেকবার মুখ কুলকুচি করে নিন। আপনি রসটি পানও করতে পারেন।

ওরেগানো তেল : এটি মাড়ি এবং টিস্যুর ব্যথা সারিয়ে তোলে। আপনার মাড়ির ওপর ওরেগানো তেল দিয়ে ম্যাসেজ করুন। এটা স্বাভাবিকভাবেই দাঁত সারিয়ে তুলবে ও নড়া দাঁত প্রতিরোধ করবে।

লবণ : এক গ্লাস জলে নুন গুলে মুখ কুলকুচি করে নিন। এটা সব মৌখিক সংক্রমণ নাশ করবে কারণ লবণে এন্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য আছে। এটা আপনার মাড়ি শক্ত করবে এবং দাঁত নড়া প্রতিরোধ করবে।

তরল পথ্য : শক্ত খাবার খাওয়ার সময় যদি আপনি ব্যথা অনুভব করেন, তাহলে উষ্ণ সবজি বা মুরগির স্যুপ খাওয়াই ভাল। এতে ব্যথা এবং প্রদাহ উপশম হবে। এছাড়া এটি আপনার শরীরে পুষ্টি সরবরাহ করবে যা সংক্রামণের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করবে।

পিপারমিন্ট অয়েল : এটা ব্যথা এবং মাড়ির প্রদাহ উপশম করতে সাহায্য করে যার ফলে নড়া দাঁতের সমস্যা  দূর হয়।

লবঙ্গ তেল : এটি দাঁত ব্যথা এবং মাড়ি প্রদাহের জন্য একটি সুপরিচিত প্রতিকার।এটা মাড়ি মজবুত করতে সাহায্য করে। আপনার মাড়ির ওপর ম্যাসেজ করুন ব্যথা ও প্রদাহ থেকে স্বস্তি পেতে এবং এটি দাঁত নড়া  ঠিক করতেও সাহায্য করে।

এছাড়া দাঁত নড়া সমস্যা থেকে নিস্তার পেতে সবুজ শাক সবজি খান। সবুজ শাক-সবজি সংক্রমণ থেকে আপনাকে দূরে রাখে।  আপনার খাদ্যের মধ্যে সবুজ সবজি স্যালাড হিসেবে খাওয়ার অভ্যাস করুন।

সাবধানতা : আম্লিক ফলমূল এড়িয়ে চলুন অত্যধিক আম্লিক ফল যেমন লেবু দাঁতের এনামেল ধ্বংস করে এবং দাঁতের শিকড় অনাবৃত করে যা দাঁত সংবেদনশীল এবং আলগা করে দেয়।

দাঁত শুভ্রকরণের উপাদান এড়িয়ে চলুন এই সব উপাদানে ব্লিচিং এজেন্ট থাকে যা দাঁতের এনামেল ও শিকড় ধ্বংস করে । এছাড়া এগুলি, টিস্যুগুলিকে দুর্বল করে দেয়।






সূর্যের আলোতেই সারিয়ে নিন মারাত্মক সব রোগ


ভিটামিন ডি-র অভাব শরীরকে কাবু করে ফেলে যার ফল অসময়ে মৃত্যু।



ভিটামিন ডির অভাবে বাড়ছে নানা রোগের আক্রমণ। খাবারের পাশাপাশি যার অন্যতম উৎস সূর্যের আলো। ভিটামিন ডি হাড় ও কোষের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। ত্বকের জ্বালা কমাতে সাহায্য করে। শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফেটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ব্রিটিশ জার্নাল অফ সাইকিয়াট্রির সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, যাদের শরীরে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ কম, তাদের অবসাদে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অন্যদের তুলনায় দ্বিগুণ। ৩১ হাজার মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাসসহ কিছু অংশ ভিটামিন ডি-র সাহায্যে মন চনমনে রাখতে সাহায্য করে। যাদের শরীরে ভিটামিন ডি কম, তাদের মধ্যে স্ফূর্তিও তুলনামূলকভাবে কম। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের শরীরে ভিটামিন ডি বেশি, তারা ক্যান্সারের সঙ্গে বেশি ফাইট করতে পারেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভিটামিন ডি ১০ শতাংশ বাড়লে ক্যান্সারে সারভাইভালের সম্ভাবনা চার শতাংশ বেড়ে যায়। ক্লিনিক্যাল ক্যান্সার রিসার্চের জার্নালে উল্লেখিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে প্রস্টেট ক্যান্সারের বিপদ ৪ থেকে ৫ গুণ বেড়ে যায়। প্রাপ্ত বয়স্করা যদি বেশি মাত্রায় ভিটামিন ডি-র ঘাটতিতে ভোগেন, তাদের ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ হওয়ার প্রবণতা ৫৩ গুণ বেড়ে যায়। এর সঙ্গে রয়েছে অ্যালজেইমার্সের বিপদ। সোরিয়াটিক আর্থারাইটিস বা বাতের সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদের ৬২ শতাংশের শরীরেই প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভিটামিন ডি নেই। যাদের শরীরে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ কম, তাদের করোনারি আর্টারি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা ৩২ শতাংশ বেশি। ভিটামিন ডি-র ঘাটতিতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা আড়াই গুণ বেশি। সাইকিয়াট্রিক হেলথের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি-র গুরুত্ব অসীম। রক্তে ভিটামিন ডি কম থাকলে সিজোনফ্রেনিয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। ভিটামিন ডি-র ঘাটতি স্নায়ুর সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। ভিটামিন ডি-র অভাব শরীরকে কাবু করে ফেলে যার ফল অসময়ে মৃত্যু।