Labels

Monday, November 7, 2016

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রেম টেকে না কেন?‌



সোশ্যাল মিডিয়া এখন দারুণ জনপ্রিয় মাধ্যম। ফেসবুক, ট্যুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ, স্নাপচ্যাটে হচ্ছে বন্ধুত্ব, হচ্ছে প্রেম। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব সম্পর্ক বেশিদিন টিকে থাকে না। এমনকি অনেক প্রতারণার ঘটনাও ঘটে। এর পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ:-
 ❏‌ মিথ্যা:‌ ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক সময় একজন ব্যক্তি বা নারী সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া থাকে। এমনকী একে-‌অপরকে নিজেদের সম্পর্কে মিথ্যা কথাও বলেন অনেকে। পরে সেই সমস্ত কথা প্রকাশ্যে আসলে ঝামেলার সূত্রপাত হয়।
 ‌❏ যৌনতাপ্রিয় মানুষ:‌ অনেকেই আছেন যারা কেবল যৌনসুখের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি করেন। তার জন্য এমন অনেক তথ্যই তারা দেন যেগুলোর কোনও ‌সত্যতা নেই। প্রথম সাক্ষাতেই এরা নিজেদের চাহিদা মেটানোর কথা ভাবতে থাকে। তবে এক্ষেত্রে মেয়েদের থেকে এগিয়ে ছেলেরা।
 ❏‌ বাস্তবের সঙ্গে ছবির অমিল:‌ এমন অনেকেই আছেন যাদের মুখের সঙ্গে ছবির অমিল থাকে অনেক বেশি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন ছবি দেওয়া হয় তখন তা এডিট করে সুন্দর করা হয়। কেউ কেউ আবার অন্যের ছবি ব্যবহার করেন। যে কারণে প্রথমবার দেখা করতে এসে অনেকে হয়ত হতাশ হয়ে পড়েন। ফলে সম্পর্ক তৈরি হওয়ার আগেই নষ্ট হওয়ার দিকে এগিয়ে যায়।
 ❏‌ দূরত্ব:‌ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমেরিকায় বসবাসকারী কারোর প্রেমে পড়েছেন। কিন্তু আপনি থাকেন বাংলাদেশে। সেক্ষেত্রে বেশিবার দু’‌জনের দেখা হওয়াটা প্রায় অসম্ভব। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় এই সম্পর্কগুলো মাঝপথেই হাল ছেড়ে দেয়।
 ❏‌ ভাগ্য:‌ সোশ্যাল মিডিয়ায় কারোর প্রোফাইল দেখে আপনার পছন্দ হল। কিন্তু তিনি আসলে কেমন আপনি সেটা জানতেই পারলেন না। ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে ভাল, কিন্তু খারাপ হলে সেই প্রেম কি আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে? ‌❏‌ নিজের মত না থাকা:‌ বিপরীত মানুষটিকে একঝলক দেখে ভাল লেগে গেছে। তার মনে ছাপ ফেলতে আপনি নিজেকে তার মতো করে দেখানোর চেষ্টা করছেন। তাহলে এই ভুলটিই সবচেয়ে মারাত্মক। কারণ সেক্ষেত্রে আপনি নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করছেন। আর নিজেকে বা অপরকে বদলে কখনও কোনও সম্পর্ক টেকে না।

আঙুলের কড়ে ভবিষ্যৎ জানুন

লক্ষণশাস্ত্র এমন একটি বিদ্যা যা দেহের বিভিন্ন বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মানুষের অতীত ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চর্চা করে থাকে। এই বিদ্যার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোনো মানুষের শারীরিক গঠনের বিশ্লেষণের মাধ্যমেই জানা সম্ভব তার ব্যক্তিত্ব, ভূত ও ভবিষ্যৎ।
এই বিদ্যা বলে আঙুলের কড়ে যে তিনটি ভাগ রয়েছে তার গঠনেও একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ নিহিত থাকার বিষয়টি জানা যায়। কেউ চাইলে, নিজের আঙুলের কড়ের দিকে তাকিয়ে নিজেই জেনে নিতে পারবেন নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে। আঙুলের মতো আঙুলের কড়েও থাকে তিনটি ভাগ। ওই ভাগগুলোকেই বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানা যাবে। প্রথমেই লক্ষ্য করলে দেখা যাবে আঙুলের কড়ে তিনটি ভাগের দৈর্ঘ্য আলাদা। তাই আঙুলের ডগার উপরের দিক থেকে তিনটি অংশকে যথাক্রমে ১,২,৩ নামে চিহ্নিত করার পর বিশ্লেষণে করলে দেখা যায়:-

 ১. যদি ১ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হয় : যদি আঙুলের উপরের ভাগটি অন্য অংশের চেয়ে বড় হয় তাহলে ব্যক্তি খুব সহজেই অন্যদের মন জয় করে নিতে পারেন। তার ভাষাগত দক্ষতা অসাধারণ ও আপনার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাও অতুলনীয় হয়।
২. যদি ২ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হয় : ২ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হলে অন্যদের সেবা ও সাহায্য করার মানসিকতা ওই ব্যক্তির মধ্যে রয়েছে। ডাক্তার এবং নার্সদের মধ্যে সাধারণত এই অংশটি দীর্ঘ হয়।

৩. যদি ৩ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হয় : এই ধরনের মানুষেরা সৎ ও সত্যবাদী হন। তাদের কথা বলার দক্ষতা থাকে, পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে মেলামেশাতেও তারা পটু হন।

৪. যদি ১ নম্বর অংশটি সবচেয়ে ছোট হয় : এই ধরনের মানুষেরা নার্ভাস প্রকৃতির এবং মানসিকভাবে দুর্বল হন। পাশাপাশি বন্ধুবান্ধবরা তাদের পছন্দ করেন না।

৫. যদি ২ নম্বর অংশটি সবচেয়ে ছোট হয় : এমন‌টা হলে ব্যক্তি জেদী এবং কিছুটা আলসে প্রকৃতির হন। জীবনে কোনো রকম পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে তার অসুবিধা হয়।

৬. যদি ৩ নম্বর অংশটি সবচেয়ে ছোট হয় : এমনটি হলে ব্যক্তি সহজ-সরল এবং বিশ্বাসী হন। তবে তার একটু সতর্ক থাকতে হবে যে, কেউ যাতে তাকে চট করে বোকা বানাতে না পারে।

চুম্বনের সময় চোখ বন্ধ হয়ে যায় কেন?

কথায় বলে দুজন মানুষ শারীরিকভাবে কাছাকাছি আসার প্রথম পদক্ষেপ চুম্বন বা কিস৷দুজন প্রেমিক-প্রেমিকাকে কাছাকাছি আনতে, তাদের মধ্যে দূরত্ব কমাতে বা সম্পর্কে উষ্ণতা আনতে চুম্বনের কার্যকরী ভূমিকা রয়েছে বই কী৷ কিন্তু এই চুম্বনের সবার চোখ বুজে যায়। কেন চুম্বনের সময়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়, তার বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা রয়েছে। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের রয়্যাল হলোওয়ের একটি গবেষণায় বলা হচ্ছে, চুম্বনের সময়ে যে পরিমাণ উত্তেজনা তৈরি হয়, তা মস্তিষ্কের পক্ষে এককভাবে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। চোখ খোলা রেখে চুম্বন করলে, স্পর্শের যে অনুভূতি, তা নষ্ট হতে পারে। গবেষকরা বলছেন, নাচ বা চুম্বনের মতো ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক স্পর্শের অনুভূতি পেতে চায়। সেই মুহূর্তে অন্য কোনো অনুভূতি পেতে চায় না শরীর। এক্ষেত্রে যাদের উপর গবেষণা চালানো হয়েছিল তাদের সকলকে দেওয়া হয়েছিল বর্ণ সন্ধানের একটি কাজ। বিভিন্ন স্তরে তাদের বিভিন্ন বর্ণ খুঁজতে বলা হয়েছিল। বর্ণ খুঁজে পাওয়ার সময়ে একহাতে লাগানো যন্ত্রের সাহায্যে মাপা হয়েছিল মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া। এ জন্য দেওয়া হয়েছিল অত্যন্ত কন পরিমাণের ভাইব্রেশন। এর থেকে গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, স্পর্শের অনুভূতি বা সচেতনতা নির্ভর করে একটি বিশেষ জিনিসের উপরে। যদি একইসঙ্গে দেখা এবং স্পর্শের কাজ করতে হয়, মস্তিষ্ক যে কোনো একটি বেছে নেয়। চুম্বনের ক্ষেত্রে চোখ বন্ধ হয়ে যায় সে কারণেই।

বাতের ব্যথা থেকে মুক্তির উপায়



বাতের ব্যথা অতি পরিচিত একটি সমস্যা। আমাদের চারপাশে আজকাল অনেকেই এই বাতের ব্যথার ভুক্তভোগী৷ বাতের ব্যথার কারণে হাঁটতে, বসতে, উঠতে পারছেন না। প্রতিটা দিন অসহনীয় কষ্ট পেতে হচ্ছে এই বাতের ব্যথার কারণে৷ কিন্তু নিয়মিত কিছু কাজ করলে খুব সহজেই বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷ তবে এক বা দুই দিন করে ছেড়ে দিলে হবে না। নিয়মিত করতে হবে এই কাজগুলো৷ একবার শুরু করে হটাত বন্ধ করে দিলে ক্ষতি আরও বাড়তে পারে৷ আসুন জেনে নেই, সেই কাজগুলো সম্পর্কে যা আপনাকে মুক্তি দিবে বাতের ব্যথা থেকে:-
 ১. মেরুদণ্ড ও ঘাড় নিচু করে কোনো কাজ করবেন না।
 ২. বিছানায় শোয়া ও ওঠার সময় যেকোন একদিকে কাত হয়ে হাতের উপর ভর দিয়ে শোবেন ও উঠবেন।
 ৩. ব্যথার জায়গায় নির্দিষ্ট সময় ধরে গরম বা ঠাণ্ডা ভাপ দিন। সময়টা ১০ থেকে ১৫ মিনিট হলে ভালো হয়।
 ৪. অনেকক্ষণ এক জায়গায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। প্রয়োজনে এক ঘন্টা পর পর হাঁটাহাঁটি করবেন। নিজের অবস্থান বদলাবেন।
 ৫. নিচু জিনিস যেমন- পিড়ি, মোড়া বা ফ্লোরে না বসে চেয়ারে বসতে হবে। বসার সময় পিঠ ঠেস না দিয়ে মেরুদণ্ড সোজা করে বসবেন।
 ৬. নরম ফোম ও জাজিমে শোয়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। এর বদলে উঁচু, শক্ত ও সমান বিছানায় শোবেন।
 ৭. মাথায় বা হাতে ভারি ওজন বহন এড়িয়ে চলতে হবে। দাঁড়িয়ে বা চেয়ারে বসে রান্না করা যাবে না।
 ৮. চিকিৎসকের নির্দেশমতো নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। তবে ব্যথা বেড়ে গেলে ব্যায়াম বন্ধ রাখবেন।
 ৯. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। পেট ভরে খাওয়া নিষেধ আপনার জন্য। অল্প অল্প করে বার বার খাবেন। প্রতিবার খাবারের আগে কিছুটা পানি পান করে নিন।
১০. হাইহিল যুক্ত জুতো ব্যবহার করবেন না। নরম জুতো ব্যবহার করবেন। ব্যথা তীব্র হলে উঁচু কমোডে বসে টয়লেট করুন। ব্যথা বেশি অনুভূত হলে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকুন।

যৌনশক্তি বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়!



পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসায় আয়ুর্বেদে মধুর ব্যবহার

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসায় আয়ুর্বেদে মধুর ব্যবহার নতুন নয়। আয়ুর্বেদশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে, মধু মিশিয়ে নিয়মিত এক গ্লাস করে দুধ খেলে স্পার্ম কাউন্ট শূন্য থেকে বেড়ে ৬ কোটি পর্যন্ত হতে পারে। কীভাবে শুক্রাণু বাড়ে, সে উল্লেখও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দুধের মধ্যে থাকা ভিটামিন এ পুরুষ সেক্স হরমোনের পরিমাণ বাড়ায়। অন্যদিকে, মধুতে থাকা ভিটামিন ই ও জিঙ্ক সেক্স স্টিমুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে পুরুষদের যৌনশক্তি বাড়ায়। অনলাইন এক সমীক্ষায় জানা গেছে, ১৮ থেকে ৫০-এর মধ্যে বয়স এমন ১০ শতাংশ পুরুষই লো স্পার্ম কাউন্টের শিকার। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ঘরোয়া বেশ কিছু উপায়ে শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ানো যায়। তবে, দুধ ও মধুই এর মধ্যে সহজলভ্য। এক গ্লাস দুধ ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে, তাতে মধু মিশিয়ে পান করতে হবে। নিয়মিত কিছুদিন খেলে বীর্যে স্বাস্থ্যকর শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়বে। এর বাইরেও যৌনশক্তি বাড়াতে চাইলে আরও কিছু ঘরোয়া দাওয়াই রয়েছে। রাতে শুতে যাওয়ার আগে দু’তিন কোয়া রসুন মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।


যে ১০টি কারণে শুক্রাণু কমতে পারে:-

 ১) শারীরিক ও মানসিক ধকল
 ২) অনিদ্রা
৩) কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করলে বা শুক্রাশয় গরম কিছুর সংস্পর্শে এলে
৪) জিঙ্কের ঘাটতি বা টক্সিক বেড়ে গেলে
৫) ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপা
৬) ওবেসিটি বা স্থূলতা
৭) ক্যানসার
৮) বংশগতভাবে
৯) হরমোন সংক্রান্ত সমস্যা
১০) কিছু মেডিসিন ও স্টেরডের কারণেও পুরুষদের শুক্রাণু কমে ইনফার্টিলিটি দেখা দিতে পারে।