Labels

Thursday, December 1, 2016

পাইলসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়

মলদ্বার ফুলে যাওয়া, মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ লক্ষণ।

বর্তমানে পাইলস বা হেমোরয়েড পরিচিত একটি রোগ। সাধারণত ৪৫ থেকে ৬৫ বয়সী মানুষজন এই রোগে বেশি ভুগে থাকেন। মলদ্বার ফুলে যাওয়া, মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ লক্ষণ। মূলত কম ফাইবারযুক্ত খাবার, স্থূলতা, কোষ্ঠকাঠিন্য,  শারীরিক কার্যকলাপ, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা ইত্যাদি কারণে পাইলস দেখা দিতে পারে। এই রোগে হলে সাধারণত ওষুধ বা অপারেশন মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। তবে ঘরোয়া উপায়েও অনেক সময় এ সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। যেমন:-

 * অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার অ্যালোভেরা জেল আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি জ্বালাপোড়া দূর করে ব্যথা কমিয়ে দেবে। যা সাময়িক কষ্ট লাগব করতে বেশ সহায়ক।

 * অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার একটি তুলোর বলে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। শুরুতে এটি জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করবে, কিন্তু ১০ মিনিট অপেক্ষা করার পরই জ্বালাপোড়া কমে যাবে। এটি দিনে কয়েকবার করুন।

* অলিভ অয়েলের গুণাগুণ  আপনি যদি প্রতিদিন এক চা চামচ করে অলিভ অয়েল খান। তবে এটি দেহের প্রদাহ হ্রাস করবে এবং মোনোস্যাচুরেটেড চর্বি উন্নত করবে। এছাড়া কিছু বরই পাতা গুঁড়ো করে অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এটি আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। দেখবেন ১০ মিনিটের মধ্যে আপনার ব্যথা কমে গেছে।

* বরফ ব্যবহার করুন একটি কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে ১০ মিনিট রাখুন। এটি দিনে কয়েকবার করুন। ব্যথা কমে যাবে।

* আদা বা লেবুর রস  আদাকুচি, লেবু এবং মধু মিশ্রিত জুস দিনে দুইবার পান করুন। এটি নিয়মিত পান করুন। এটি শরীর হাইড্রেটেড করে পাইলস দূর করে দেয়। এছাড়া দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন।

Wednesday, November 30, 2016

সপ্ত খাদ্যগুণে বাড়বে যৌনতা


যৌনজীবনকে  আরও রোমাঞ্চকর করতে চান?

স্বাভাবিক সুস্থতার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় বিষয়ের মধ্যে যৌনতা অন্যতম। গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনে এটি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলে বিশেষ কোনো রোগ আক্রমণ করতে পারবে না। তবে যৌনজীবনকে যদি আরও রোমাঞ্চকর করতে চান, বেশ কিছু খাবার সাহায্য করতেই পারে। পাঠকদের জন্য তেমনই সাত ধরনের খাবারের তথ্য তুলে ধরা হলো:-

  ১. অ্যাভোকাডো খাওয়া যৌনতার জন্য বেশ উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে অসম্পৃক্ত ফ্যাট রয়েছে। তবে সম্পৃক্ত ফ্যাটের পরিমাণ একেবারেই কম। তাই এটি হৃৎপিণ্ড ও ধমনীর স্বাস্থের জন্য খুবই ভালো। হৃৎস্পন্দন সঠিক হলে সারা দেহে রক্তের সংবহন পর্যাপ্ত পরিমাণে হয়। তাই দুর্বল হৃদয়ের জন্যেও এটি বেশ কার্যকরী।

২. আমন্ড বাদাম যৌনচাহিদা বাড়াতে সক্ষম। পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি স্পার্ম কাউন্ট বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, এবং ভিটামিন ই রয়েছে। জিঙ্ক কামশক্তি ও যৌনচাহিদা বাড়াতেও সাহায্য করে। এছাড়াও এতে বেশ কিছু খনিজ পদার্থ রয়েছে যা যৌনস্বাস্থ্য ও প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সক্ষম।

৩. স্ট্রবেরি ফলিক অ্যাসিডের এক অন্যতম উৎস। এই জাতীয় উপাদান নারীদের প্রজননে সাহায্য করে এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রবেরি পুরুষদের স্পার্ম কাউন্য বাড়াতেও সক্ষম।
৪. সামুদ্রিক মাছও কামশক্তি বাড়াতে সহায়ক। এটিও জিঙ্কের একটি উৎস যা লিবিডো বাড়াতে সক্ষম। এছাড়াও তৈলাক্ত মাছ হৃদয়ের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

৫. লেটুস পাতাও এ বিষয়ে বেশ উপযোগী। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে বেশ কিছু উপাদেয় খনিজ পদার্থ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। যে পারিপাশ্বিক চাপের ফলে কামশক্তি বিঘ্নিত করে লেটুস পাতা তাদের পরিশুদ্ধ করে।

৬. প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে ডুমুর অত্যন্ত উপযোগী। এতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার আছে। ফলে এটি শরীরে কাম উত্তেজনা বাড়াতে সক্ষম। এছাড়াও এটি হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

 ৭. লেবু জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে যা পুরুষের প্রজনন ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করতে সক্ষম।

নিত্যব্যবহার্য জিনিসেই লুকিয়ে আছে ক্যানসারের বীজ

ক্যানসার রোগ সারা এখনও চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধরা।


ক্যানসার এমন একটি রোগ, যাকে নিশ্চিতভাবে সারাবার মতো ওষুধ এখনও চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধরা। কাজেই রোগের চিকিৎসার তুলনায় রোগ প্রতিরোধ ভাল— ক্যানসারে ক্ষেত্রে এই নীতি মেনে চলাই শ্রেয়। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রিভেনশন অফ ক্যানসার নামের সংস্থার স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এমন ৪টি দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসের তালিকা, যেগুলির নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ক্যানসারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

 জেনে নিন কোন সেই ৪টি জিনিস

১. কৃত্রিম চিনি:  স্যাকারিন জাতীয় কৃত্রিম চিনিতে থাকে অ্যাকেসুফ্লেম কে— যা শরীরে টিউমার তৈরির কারণ হিসেবে কাজ করে, অ্যাসপারটেম— যা স্কিন ক্যানসারের অন্যতম কারণ, স্যাখারিন— যা রেচনতন্ত্রের ক্যানসার সৃষ্টি করে, এবং সর্বিটল— যা পেটের নানা সমস্যার কারণ। কাজেই কৃত্রিম চিনি দূরে সরিয়ে রেখে, প্রাকৃতিক চিনি খাওয়াই স্বাস্থ্যকর।

২. এয়ার ফ্রেশনার:  ঘর সুরভিত রাখার জন্য অনেকেই এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই ধরনের এয়ার ফ্রেশনার শুধু যে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে তা-ই নয়, এমন কিছু রাসায়নিক এয়ার ফ্রেশনারে থাকে, যেগুলি ফুসফুস ও শ্বাসনালীর ক্যানসারের কারণ হিসেবে কাজ করে। কাজেই এয়ার ফ্রেশনারের বদলে ঘরের কোণে কোণে পুদিনা পাতা ভেজানো পানি ছিটিয়ে দিন। এতে ঘর সুরভিত থাকবে।

 ৩. অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু:  খুসকি তাড়ানোর জন্য যে শ্যাম্পু ব্যবহার করা হয় তাতে মিথাইলোক্লোরোইসোথিয়াজোলনোন এবং অ্যামোনিয়াম সালফেটের মতো কিছু রাসায়নিক থাকে, যেগুলি কার্সিনোজেনিক হিসেবে প্রমাণিত। কাজেই এই ধরনের শ্যাম্পুর ব্যবহার কমিয়ে খুসকি তাড়ানোর কোন প্রাকৃতিক কৌশল কাজে লাগানো উচিৎ।

৪. অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান:  ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিআই) সমীক্ষায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়া মারার জন্য যে সাবান ব্যবহার করা হয়, তাতে এমন কিছু রাসায়নিক থাকে যেগুলি স্কিন ক্যানসার সৃষ্টি করে।

Wednesday, November 9, 2016

দুধ চা নাকি রং চা? ( TEA)

দুধ চা নাকি রং চা?


আড্ডায় বসে ‘কী চা খাবেন’ জিজ্ঞাসা করা হলে দ্বিধায় পড়ে যান অনেকেই। আবার অনেকেই জানেন না, কোন চা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে আসলেই ভালো। সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে যে চা খেতে মন চায় আমরা সেটাই পছন্দ করি। কিন্তু প্রশ্ন কী আসে না, আসলে কোন চা খাওয়া উচিত?
জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় কয়েকজন ব্যক্তিকে পর্যায়ক্রমে রং চা, দুধ চা এবং গরম পানি খেতে দেয়া হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, রং চা রক্তনালীর প্রসারণ ঘটায় যা উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রনের জন্য অত্যন্ত জরুরী।
আবার বিখ্যাত পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমস-এর একটি বিজ্ঞান বিষয়ক ক্রোড়পত্রের মাধ্যমে জানা যায়, দুধ মেশালে চায়ের উপকারী গুণগুলো কিছুটা কমে যায়। সে হিসেবে রং চা পছন্দ করা উচিত।
চায়ে আছে ট্যানিন নামক এক ক্ষতিকর উপাদান, যা গলার (খাদ্যনালি) ক্যানসারের কারণ হয়। চা পাতা বেশি জ্বাল দিলে এই ক্ষতিকর ট্যানিনের আবির্ভাব ঘটে। আবার এই চায়ে কিছুটা দুধ মেশালে ট্যানিনের ক্ষতির মাত্রা কমে আসে। দুধ চায়ের ট্যানিনকে আঁকড়ে ধরে এবং তাকে শরীরে মিশতে দেয় না।
সাধারণত আমাদের দেশে দোকানে যে সব চা পাওয়া যায়, সেসব চায়ের পাতা দীর্ঘক্ষণ ধরে জ্বাল দেয়া হয়। ফলে তাতে ক্ষতিকর ট্যানিনের মাত্রা বেশি থাকে বলে সহজেই অনুমেয়। তাই দোকানে চা খেতে হলে রং চা না খেয়ে দুধ চা খাওয়াই উত্তম।
আর যেহেতু দুধ চা থেকে রং চা বেশি উপকারী তাই বাসায় খেলে পরিমিতি জ্বালে রং চা খাওয়াই ভালো।



Monday, November 7, 2016

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রেম টেকে না কেন?‌



সোশ্যাল মিডিয়া এখন দারুণ জনপ্রিয় মাধ্যম। ফেসবুক, ট্যুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ, স্নাপচ্যাটে হচ্ছে বন্ধুত্ব, হচ্ছে প্রেম। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব সম্পর্ক বেশিদিন টিকে থাকে না। এমনকি অনেক প্রতারণার ঘটনাও ঘটে। এর পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ:-
 ❏‌ মিথ্যা:‌ ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক সময় একজন ব্যক্তি বা নারী সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া থাকে। এমনকী একে-‌অপরকে নিজেদের সম্পর্কে মিথ্যা কথাও বলেন অনেকে। পরে সেই সমস্ত কথা প্রকাশ্যে আসলে ঝামেলার সূত্রপাত হয়।
 ‌❏ যৌনতাপ্রিয় মানুষ:‌ অনেকেই আছেন যারা কেবল যৌনসুখের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি করেন। তার জন্য এমন অনেক তথ্যই তারা দেন যেগুলোর কোনও ‌সত্যতা নেই। প্রথম সাক্ষাতেই এরা নিজেদের চাহিদা মেটানোর কথা ভাবতে থাকে। তবে এক্ষেত্রে মেয়েদের থেকে এগিয়ে ছেলেরা।
 ❏‌ বাস্তবের সঙ্গে ছবির অমিল:‌ এমন অনেকেই আছেন যাদের মুখের সঙ্গে ছবির অমিল থাকে অনেক বেশি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন ছবি দেওয়া হয় তখন তা এডিট করে সুন্দর করা হয়। কেউ কেউ আবার অন্যের ছবি ব্যবহার করেন। যে কারণে প্রথমবার দেখা করতে এসে অনেকে হয়ত হতাশ হয়ে পড়েন। ফলে সম্পর্ক তৈরি হওয়ার আগেই নষ্ট হওয়ার দিকে এগিয়ে যায়।
 ❏‌ দূরত্ব:‌ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমেরিকায় বসবাসকারী কারোর প্রেমে পড়েছেন। কিন্তু আপনি থাকেন বাংলাদেশে। সেক্ষেত্রে বেশিবার দু’‌জনের দেখা হওয়াটা প্রায় অসম্ভব। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় এই সম্পর্কগুলো মাঝপথেই হাল ছেড়ে দেয়।
 ❏‌ ভাগ্য:‌ সোশ্যাল মিডিয়ায় কারোর প্রোফাইল দেখে আপনার পছন্দ হল। কিন্তু তিনি আসলে কেমন আপনি সেটা জানতেই পারলেন না। ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে ভাল, কিন্তু খারাপ হলে সেই প্রেম কি আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে? ‌❏‌ নিজের মত না থাকা:‌ বিপরীত মানুষটিকে একঝলক দেখে ভাল লেগে গেছে। তার মনে ছাপ ফেলতে আপনি নিজেকে তার মতো করে দেখানোর চেষ্টা করছেন। তাহলে এই ভুলটিই সবচেয়ে মারাত্মক। কারণ সেক্ষেত্রে আপনি নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করছেন। আর নিজেকে বা অপরকে বদলে কখনও কোনও সম্পর্ক টেকে না।

আঙুলের কড়ে ভবিষ্যৎ জানুন

লক্ষণশাস্ত্র এমন একটি বিদ্যা যা দেহের বিভিন্ন বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মানুষের অতীত ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চর্চা করে থাকে। এই বিদ্যার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোনো মানুষের শারীরিক গঠনের বিশ্লেষণের মাধ্যমেই জানা সম্ভব তার ব্যক্তিত্ব, ভূত ও ভবিষ্যৎ।
এই বিদ্যা বলে আঙুলের কড়ে যে তিনটি ভাগ রয়েছে তার গঠনেও একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ নিহিত থাকার বিষয়টি জানা যায়। কেউ চাইলে, নিজের আঙুলের কড়ের দিকে তাকিয়ে নিজেই জেনে নিতে পারবেন নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে। আঙুলের মতো আঙুলের কড়েও থাকে তিনটি ভাগ। ওই ভাগগুলোকেই বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানা যাবে। প্রথমেই লক্ষ্য করলে দেখা যাবে আঙুলের কড়ে তিনটি ভাগের দৈর্ঘ্য আলাদা। তাই আঙুলের ডগার উপরের দিক থেকে তিনটি অংশকে যথাক্রমে ১,২,৩ নামে চিহ্নিত করার পর বিশ্লেষণে করলে দেখা যায়:-

 ১. যদি ১ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হয় : যদি আঙুলের উপরের ভাগটি অন্য অংশের চেয়ে বড় হয় তাহলে ব্যক্তি খুব সহজেই অন্যদের মন জয় করে নিতে পারেন। তার ভাষাগত দক্ষতা অসাধারণ ও আপনার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাও অতুলনীয় হয়।
২. যদি ২ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হয় : ২ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হলে অন্যদের সেবা ও সাহায্য করার মানসিকতা ওই ব্যক্তির মধ্যে রয়েছে। ডাক্তার এবং নার্সদের মধ্যে সাধারণত এই অংশটি দীর্ঘ হয়।

৩. যদি ৩ নম্বর অংশটি দীর্ঘ হয় : এই ধরনের মানুষেরা সৎ ও সত্যবাদী হন। তাদের কথা বলার দক্ষতা থাকে, পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে মেলামেশাতেও তারা পটু হন।

৪. যদি ১ নম্বর অংশটি সবচেয়ে ছোট হয় : এই ধরনের মানুষেরা নার্ভাস প্রকৃতির এবং মানসিকভাবে দুর্বল হন। পাশাপাশি বন্ধুবান্ধবরা তাদের পছন্দ করেন না।

৫. যদি ২ নম্বর অংশটি সবচেয়ে ছোট হয় : এমন‌টা হলে ব্যক্তি জেদী এবং কিছুটা আলসে প্রকৃতির হন। জীবনে কোনো রকম পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে তার অসুবিধা হয়।

৬. যদি ৩ নম্বর অংশটি সবচেয়ে ছোট হয় : এমনটি হলে ব্যক্তি সহজ-সরল এবং বিশ্বাসী হন। তবে তার একটু সতর্ক থাকতে হবে যে, কেউ যাতে তাকে চট করে বোকা বানাতে না পারে।

চুম্বনের সময় চোখ বন্ধ হয়ে যায় কেন?

কথায় বলে দুজন মানুষ শারীরিকভাবে কাছাকাছি আসার প্রথম পদক্ষেপ চুম্বন বা কিস৷দুজন প্রেমিক-প্রেমিকাকে কাছাকাছি আনতে, তাদের মধ্যে দূরত্ব কমাতে বা সম্পর্কে উষ্ণতা আনতে চুম্বনের কার্যকরী ভূমিকা রয়েছে বই কী৷ কিন্তু এই চুম্বনের সবার চোখ বুজে যায়। কেন চুম্বনের সময়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়, তার বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা রয়েছে। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের রয়্যাল হলোওয়ের একটি গবেষণায় বলা হচ্ছে, চুম্বনের সময়ে যে পরিমাণ উত্তেজনা তৈরি হয়, তা মস্তিষ্কের পক্ষে এককভাবে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। চোখ খোলা রেখে চুম্বন করলে, স্পর্শের যে অনুভূতি, তা নষ্ট হতে পারে। গবেষকরা বলছেন, নাচ বা চুম্বনের মতো ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক স্পর্শের অনুভূতি পেতে চায়। সেই মুহূর্তে অন্য কোনো অনুভূতি পেতে চায় না শরীর। এক্ষেত্রে যাদের উপর গবেষণা চালানো হয়েছিল তাদের সকলকে দেওয়া হয়েছিল বর্ণ সন্ধানের একটি কাজ। বিভিন্ন স্তরে তাদের বিভিন্ন বর্ণ খুঁজতে বলা হয়েছিল। বর্ণ খুঁজে পাওয়ার সময়ে একহাতে লাগানো যন্ত্রের সাহায্যে মাপা হয়েছিল মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া। এ জন্য দেওয়া হয়েছিল অত্যন্ত কন পরিমাণের ভাইব্রেশন। এর থেকে গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, স্পর্শের অনুভূতি বা সচেতনতা নির্ভর করে একটি বিশেষ জিনিসের উপরে। যদি একইসঙ্গে দেখা এবং স্পর্শের কাজ করতে হয়, মস্তিষ্ক যে কোনো একটি বেছে নেয়। চুম্বনের ক্ষেত্রে চোখ বন্ধ হয়ে যায় সে কারণেই।

বাতের ব্যথা থেকে মুক্তির উপায়



বাতের ব্যথা অতি পরিচিত একটি সমস্যা। আমাদের চারপাশে আজকাল অনেকেই এই বাতের ব্যথার ভুক্তভোগী৷ বাতের ব্যথার কারণে হাঁটতে, বসতে, উঠতে পারছেন না। প্রতিটা দিন অসহনীয় কষ্ট পেতে হচ্ছে এই বাতের ব্যথার কারণে৷ কিন্তু নিয়মিত কিছু কাজ করলে খুব সহজেই বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷ তবে এক বা দুই দিন করে ছেড়ে দিলে হবে না। নিয়মিত করতে হবে এই কাজগুলো৷ একবার শুরু করে হটাত বন্ধ করে দিলে ক্ষতি আরও বাড়তে পারে৷ আসুন জেনে নেই, সেই কাজগুলো সম্পর্কে যা আপনাকে মুক্তি দিবে বাতের ব্যথা থেকে:-
 ১. মেরুদণ্ড ও ঘাড় নিচু করে কোনো কাজ করবেন না।
 ২. বিছানায় শোয়া ও ওঠার সময় যেকোন একদিকে কাত হয়ে হাতের উপর ভর দিয়ে শোবেন ও উঠবেন।
 ৩. ব্যথার জায়গায় নির্দিষ্ট সময় ধরে গরম বা ঠাণ্ডা ভাপ দিন। সময়টা ১০ থেকে ১৫ মিনিট হলে ভালো হয়।
 ৪. অনেকক্ষণ এক জায়গায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। প্রয়োজনে এক ঘন্টা পর পর হাঁটাহাঁটি করবেন। নিজের অবস্থান বদলাবেন।
 ৫. নিচু জিনিস যেমন- পিড়ি, মোড়া বা ফ্লোরে না বসে চেয়ারে বসতে হবে। বসার সময় পিঠ ঠেস না দিয়ে মেরুদণ্ড সোজা করে বসবেন।
 ৬. নরম ফোম ও জাজিমে শোয়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। এর বদলে উঁচু, শক্ত ও সমান বিছানায় শোবেন।
 ৭. মাথায় বা হাতে ভারি ওজন বহন এড়িয়ে চলতে হবে। দাঁড়িয়ে বা চেয়ারে বসে রান্না করা যাবে না।
 ৮. চিকিৎসকের নির্দেশমতো নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। তবে ব্যথা বেড়ে গেলে ব্যায়াম বন্ধ রাখবেন।
 ৯. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। পেট ভরে খাওয়া নিষেধ আপনার জন্য। অল্প অল্প করে বার বার খাবেন। প্রতিবার খাবারের আগে কিছুটা পানি পান করে নিন।
১০. হাইহিল যুক্ত জুতো ব্যবহার করবেন না। নরম জুতো ব্যবহার করবেন। ব্যথা তীব্র হলে উঁচু কমোডে বসে টয়লেট করুন। ব্যথা বেশি অনুভূত হলে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকুন।

যৌনশক্তি বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়!



পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসায় আয়ুর্বেদে মধুর ব্যবহার

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসায় আয়ুর্বেদে মধুর ব্যবহার নতুন নয়। আয়ুর্বেদশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে, মধু মিশিয়ে নিয়মিত এক গ্লাস করে দুধ খেলে স্পার্ম কাউন্ট শূন্য থেকে বেড়ে ৬ কোটি পর্যন্ত হতে পারে। কীভাবে শুক্রাণু বাড়ে, সে উল্লেখও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দুধের মধ্যে থাকা ভিটামিন এ পুরুষ সেক্স হরমোনের পরিমাণ বাড়ায়। অন্যদিকে, মধুতে থাকা ভিটামিন ই ও জিঙ্ক সেক্স স্টিমুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে পুরুষদের যৌনশক্তি বাড়ায়। অনলাইন এক সমীক্ষায় জানা গেছে, ১৮ থেকে ৫০-এর মধ্যে বয়স এমন ১০ শতাংশ পুরুষই লো স্পার্ম কাউন্টের শিকার। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ঘরোয়া বেশ কিছু উপায়ে শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ানো যায়। তবে, দুধ ও মধুই এর মধ্যে সহজলভ্য। এক গ্লাস দুধ ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে, তাতে মধু মিশিয়ে পান করতে হবে। নিয়মিত কিছুদিন খেলে বীর্যে স্বাস্থ্যকর শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়বে। এর বাইরেও যৌনশক্তি বাড়াতে চাইলে আরও কিছু ঘরোয়া দাওয়াই রয়েছে। রাতে শুতে যাওয়ার আগে দু’তিন কোয়া রসুন মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।


যে ১০টি কারণে শুক্রাণু কমতে পারে:-

 ১) শারীরিক ও মানসিক ধকল
 ২) অনিদ্রা
৩) কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করলে বা শুক্রাশয় গরম কিছুর সংস্পর্শে এলে
৪) জিঙ্কের ঘাটতি বা টক্সিক বেড়ে গেলে
৫) ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপা
৬) ওবেসিটি বা স্থূলতা
৭) ক্যানসার
৮) বংশগতভাবে
৯) হরমোন সংক্রান্ত সমস্যা
১০) কিছু মেডিসিন ও স্টেরডের কারণেও পুরুষদের শুক্রাণু কমে ইনফার্টিলিটি দেখা দিতে পারে।

Sunday, November 6, 2016

How To Sleep Better At Night

Tips for Better Sleep

What You Eat Affects How You Sleep

If you could pick the right foods to help you get the best sleep possible, wouldn't you? And if you knew which foods would hinder your restful slumber, wouldn't you avoid them? Now's your chance to learn which foods to eat, and which to steer clear of for a good night's sleep.



Reach for Tryptophan-Rich Foods

We've all heard of warm milk's magical ability to send us off to dreamland. Do you know why it's true? Dairy foods contain tryptophan, which is a sleep-promoting substance. Other foods that are high in tryptophan include nuts and seeds, bananas, honey, and eggs

Indulge Your Craving for Carbs

Carbohydrate-rich foods complement dairy foods by increasing the level of sleep-inducing tryptophan in the blood. So a few perfect late night snacks to get you snoozing might include a bowl of cereal and milk, yogurt and crackers, or bread and cheese

Have a Snack Before Bedtime

If you struggle with insomnia, a little food in your stomach may help you sleep. But don't use this as an open invitation to pig out. Keep the snack small. A heavy meal will tax your digestive system, making you uncomfortable and unable to get soothing ZZZs.

Put Down the Burger and Fries!

As if you needed another reason to avoid high-fat foods, research shows that people who often eat high-fat foods not only gain weight, they also experience a disruption of their sleep cycles. A heavy meal activates digestion, which can lead to nighttime trips to the bathroom.

Beware of Hidden Caffeine

It's no surprise that an evening cup of coffee might disrupt your sleep. Even moderate caffeine can cause sleep disturbances. But don't forget about less obvious caffeine sources, like chocolate, cola, tea, and decaffeinated coffee. For better sleep, cut all caffeine from your diet four to six hours before bedtime.

Skip the Nightcap

Here's the catch-22 with alcohol: It may help you fall asleep faster, but you may experience frequent awakenings, less restful sleep, headaches, night sweats and nightmares. If you're drinking alcohol in the evening, balance each drink with a glass of water to dilute the alcohol's effects. For a good night's sleep, the better bet is to avoid alcohol four to six hours before bedtime.

Beware of Heavy, Spicy Foods

Lying down with a full belly can make you uncomfortable, since the digestive system slows down when you sleep. It can also lead to heartburn, as can spicy cuisine. Make sure to finish a heavy meal at least four hours before bedtime.

Cut the Fluids by 8 P.M.

Yes, staying hydrated throughout the day is great for your body, but curtail your fluid intake before bed. You're sure to have interrupted sleep if you're constantly getting up to go to the bathroom.

Keep Protein to a Minimum at Bedtime

Sorry Atkins. Protein, an essential part of our daytime fare, can be a poor choice for a bedtime snack. Protein-rich, high-fat foods are harder to digest. So skip the fatty high-protein snack before bedtime and opt for a glass of warm milk or some sleep-friendly carbs, like crackers.

Don't Be Fooled by a Relaxing Smoke

Nicotine is a stimulant, with effects similar to caffeine. Avoid smoking altogether and especially before bedtime or if you wake up in the middle of the night.

Medications May Contain Caffeine

Some over-the-counter and prescription drugs contain caffeine, too, such as pain relievers, weight loss pills, diuretics, and cold medicines. These and other medications may have as much or even more caffeine than a cup of coffee. Check the label of nonprescription drugs or the prescription drug information sheet to see if your medicine interferes with sleep or can cause insomnia.