Labels

Monday, December 19, 2016

TREAT CONSTIPATION AND IBS

Constipation Myths and Facts




Constipation is one of the symptoms often associated with irritable bowel syndrome (IBS). The key symptom of IBS is abdominal pain. The pain is associated with a change in the frequency or consistency of bowel habit. The altered bowel habit may be chronic or recurrent constipation, or diarrhea. Some people have both constipation and diarrhea, just at different times. Bloating or distention in the abdomen is also common.

The main bowel habit can change over time. In addition, symptom occurrence can fluctuate over time. There can be periods when symptoms flare-up as well as periods when they diminish or disappear.

Constipation means different things to different people – even doctors. Doctors usually define constipation as hard pellet-like stools. Individuals usually think of constipation as...

  • infrequent stools
  • difficulty or straining at stools
  • feeling of being unable to completely empty during a bowel movement, or the sensation of wanting to go but not being able to.

There's a Difference between IBS and Chronic Functional Constipation


People with IBS have abdominal discomfort or pain associated with their bowel habit. They may have symptoms that overlap with functional constipation. People with functional constipation may not have the abdominal pain of IBS. Or they may have less pain than with IBS. They would not have intervals of normal bowel habit and diarrhea with loose stools that can occur in IBS.

IBS with constipation is sometimes referred to as IBS-C or constipation-predominant IBS.

Constipation-specific symptoms were varied and frequent. The most bothersome symptoms reported were…

  • abdominal pain,
  • straining,
  • infrequent stools,
  • bloating and/or gas.
Treating IBS Pain 

There is no single treatment for pain, discomfort or other symptoms of irritable bowel syndrome (IBS). A number of therapies have been shown to be useful is some people. Always be sure to ask your doctor about possible side effects, which can occur with any treatment. Results for IBS pain management vary from person to person . . .
    • Relaxation therapyhypnosis, or cognitive behavioral therapy can help improve pain tolerance.
    • Cognitive therapy and hypnotherapy, but not relaxation therapy, are more effective than usual care in relieving overall symptoms of IBS. There are no known serious adverse events associated with these therapies; however, their mechanisms of benefit remain unclear.
Anticholinergic agents (for example, hyoscine, cimetropium, pinaverium and some peppermint oil preparations) taken before meals may provide short-term reduction of abdominal pain after meals. [Note: Peppermint oil capsules must be swallowed whole because the raw oil can cause intense heartburn.]
  • Probiotic products based on bifidobacteria and certain combinations of probiotics have shown some benefit to relieve pain and bloating.
  • Try to improve sleep through better sleep hygiene: Patients with chronic pain report sleep as their number one problem.
  • Prescription drugs aimed at reducing overall symptoms, including abdominal pain, for IBS with diarrhea (IBS-D) include alosetron and eluxadoline.
  • Prescription drugs aimed at reducing overall symptoms, including abdominal pain, for IBS with constipation (IBS-C) include lubiprostone and linaclotide.
  • For severe IBS, antidepressants, in low doses, may be prescribed. The use of the antidepressant drug class for treatment of IBS symptoms is not linked to depression, but rather likely to effects on the brain and the gut. Antidepressant medications can reduce the intensity of pain signals going from gut to brain.

Tips for an IBS-Friendly Diet

Meals may seem to trigger symptoms. It may be the process of eating and not a certain food that sets off your symptoms. Eating stimulates the digestive tract, which can over-respond because of IBS.
  • Try eating smaller meals, more often, spread throughout your day. Instead of 3 meals, try 5 or 6 regularly scheduled small meals.
  • Slow down; don't rush through meals.
  • Avoid meals that over-stimulate everyone's gut, like large meals or high fat foods. If you are constipated, try to make sure you have breakfast, as this is the meal that is most likely to stimulate the colon and give you a bowel movement.
If you think a certain food is a problem, try cutting it out of your diet for about 12 weeks. (If you suspect more than one, cut out one at a time so you know which one causes you problems.) If there's no change, go back to eating it.
The foods most likely to cause problems are:
  • Insoluble (cereal) fiber
  • Coffee/caffeine
  • Chocolate
  • Nuts

















Sunday, December 4, 2016

নড়া দাঁত, কিছু নিয়ম মানলে হবে মজবুত!




নড়া দাঁত মজবুত করার কিছু ঘরোয়া উপায়



দাঁত নড়া একটি রোগ, যাকে পেরিওডোন্টাম বলা হয়। এটি দাঁতের পার্শ্ববর্তী টিস্যুকে আক্রমণ করে এবং দাঁত সমর্থনকারী হাড়কেও প্রভাবিত করে।দাঁত নড়া একটি রোগ, যাকে পেরিওডোন্টাম বলা হয়। এটি দাঁতের পার্শ্ববর্তী টিস্যুকে আক্রমণ করে এবং দাঁত সমর্থনকারী হাড়কেও প্রভাবিত করে।গবেষকদের ভাষায়, ফাইব্রাস টিস্যু যা হাড়ের সঙ্গে দাঁতের সংযোগ ঘটায়, নরম এবং ভঙ্গুর হয়ে যাবার ফলে দাঁত নড়তে থাকে।অত্যধিক দাঁত বা মাড়ি পরিষ্কার, দাঁতের সংক্রমণ, অর্থোডোন্টিক চিকিৎসা যেমন : কামড় সমন্বয়, বার্ধক্য, মৌখিক স্বাস্থ্যবিধির অভাব, মাড়ির ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ এবং পারিবারিক সূত্রও দাঁত নড়ার কারণ হতে পারে।
আলগা দাঁত, খাবার খেতে অস্বস্তি বোধ, নড়া দাঁতের আশপাশে লাল হয়ে টিস্যুর ফুলে যাওয়া, দাঁত ব্যথা ইত্যাদি দাঁত নড়ার লক্ষণ হতে পারে।
নড়া দাঁতের কীভাবে চিকিৎসা করবেন এ নিয়ে ভাবছেন? এতো চিন্তা করছেন কেন? বোল্ডস্কাইয়ের তথ্যে মতে, এ সমস্যার সমাধান রয়েছে আপনার হাতের কাছেই!

নিম্নে নড়া দাঁত মজবুত করার কিছু ঘরোয়া উপায় আলোচনা করা হল :

মুখ ধোয়া : ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে দাঁত নড়া শুরু হতে পারে। সর্বদা মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করুন এবং দিনে দুবার দাঁত ব্রাশ করুন। সবসময় খাওয়ার পরে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার করা আবশ্যক।

কালো মরিচ এবং হলুদ : মরিচ গুঁড়া ও হলুদের একটি পেস্ট তৈরি করুন এবং আপনার মাড়ি ওপর আলতো করে ম্যাসাজ করুন। প্রয়োগের তিরিশ মিনিট পর খাবার খান। এতে মাড়ির ব্যথা ও ফোলা উপশম হবে।

লবণ এবং সরিষার তেল : সরিষার তেলের সঙ্গে এক চা চামচ লবণ মেশান এবং মৃদু মালিশ দ্বারা আপনার মাড়ি ওপর প্রয়োগ করুন। দাঁত নড়া সমস্যায় এটি সেরা ঘরোয়া প্রতিকার।

আমলা : আমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এই ভিটামিন মাড়ি ও দাঁতের সংযুক্ত টিস্যু নিরাময় করতে সাহায্য করে। এটি নড়া দাঁত নিরাময় করতে সাহায্য করে। আমলার রস দিয়ে দিনে অনেকবার মুখ কুলকুচি করে নিন। আপনি রসটি পানও করতে পারেন।

ওরেগানো তেল : এটি মাড়ি এবং টিস্যুর ব্যথা সারিয়ে তোলে। আপনার মাড়ির ওপর ওরেগানো তেল দিয়ে ম্যাসেজ করুন। এটা স্বাভাবিকভাবেই দাঁত সারিয়ে তুলবে ও নড়া দাঁত প্রতিরোধ করবে।

লবণ : এক গ্লাস জলে নুন গুলে মুখ কুলকুচি করে নিন। এটা সব মৌখিক সংক্রমণ নাশ করবে কারণ লবণে এন্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য আছে। এটা আপনার মাড়ি শক্ত করবে এবং দাঁত নড়া প্রতিরোধ করবে।

তরল পথ্য : শক্ত খাবার খাওয়ার সময় যদি আপনি ব্যথা অনুভব করেন, তাহলে উষ্ণ সবজি বা মুরগির স্যুপ খাওয়াই ভাল। এতে ব্যথা এবং প্রদাহ উপশম হবে। এছাড়া এটি আপনার শরীরে পুষ্টি সরবরাহ করবে যা সংক্রামণের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করবে।

পিপারমিন্ট অয়েল : এটা ব্যথা এবং মাড়ির প্রদাহ উপশম করতে সাহায্য করে যার ফলে নড়া দাঁতের সমস্যা  দূর হয়।

লবঙ্গ তেল : এটি দাঁত ব্যথা এবং মাড়ি প্রদাহের জন্য একটি সুপরিচিত প্রতিকার।এটা মাড়ি মজবুত করতে সাহায্য করে। আপনার মাড়ির ওপর ম্যাসেজ করুন ব্যথা ও প্রদাহ থেকে স্বস্তি পেতে এবং এটি দাঁত নড়া  ঠিক করতেও সাহায্য করে।

এছাড়া দাঁত নড়া সমস্যা থেকে নিস্তার পেতে সবুজ শাক সবজি খান। সবুজ শাক-সবজি সংক্রমণ থেকে আপনাকে দূরে রাখে।  আপনার খাদ্যের মধ্যে সবুজ সবজি স্যালাড হিসেবে খাওয়ার অভ্যাস করুন।

সাবধানতা : আম্লিক ফলমূল এড়িয়ে চলুন অত্যধিক আম্লিক ফল যেমন লেবু দাঁতের এনামেল ধ্বংস করে এবং দাঁতের শিকড় অনাবৃত করে যা দাঁত সংবেদনশীল এবং আলগা করে দেয়।

দাঁত শুভ্রকরণের উপাদান এড়িয়ে চলুন এই সব উপাদানে ব্লিচিং এজেন্ট থাকে যা দাঁতের এনামেল ও শিকড় ধ্বংস করে । এছাড়া এগুলি, টিস্যুগুলিকে দুর্বল করে দেয়।






সূর্যের আলোতেই সারিয়ে নিন মারাত্মক সব রোগ


ভিটামিন ডি-র অভাব শরীরকে কাবু করে ফেলে যার ফল অসময়ে মৃত্যু।



ভিটামিন ডির অভাবে বাড়ছে নানা রোগের আক্রমণ। খাবারের পাশাপাশি যার অন্যতম উৎস সূর্যের আলো। ভিটামিন ডি হাড় ও কোষের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। ত্বকের জ্বালা কমাতে সাহায্য করে। শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফেটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ব্রিটিশ জার্নাল অফ সাইকিয়াট্রির সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, যাদের শরীরে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ কম, তাদের অবসাদে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অন্যদের তুলনায় দ্বিগুণ। ৩১ হাজার মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাসসহ কিছু অংশ ভিটামিন ডি-র সাহায্যে মন চনমনে রাখতে সাহায্য করে। যাদের শরীরে ভিটামিন ডি কম, তাদের মধ্যে স্ফূর্তিও তুলনামূলকভাবে কম। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের শরীরে ভিটামিন ডি বেশি, তারা ক্যান্সারের সঙ্গে বেশি ফাইট করতে পারেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভিটামিন ডি ১০ শতাংশ বাড়লে ক্যান্সারে সারভাইভালের সম্ভাবনা চার শতাংশ বেড়ে যায়। ক্লিনিক্যাল ক্যান্সার রিসার্চের জার্নালে উল্লেখিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে প্রস্টেট ক্যান্সারের বিপদ ৪ থেকে ৫ গুণ বেড়ে যায়। প্রাপ্ত বয়স্করা যদি বেশি মাত্রায় ভিটামিন ডি-র ঘাটতিতে ভোগেন, তাদের ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ হওয়ার প্রবণতা ৫৩ গুণ বেড়ে যায়। এর সঙ্গে রয়েছে অ্যালজেইমার্সের বিপদ। সোরিয়াটিক আর্থারাইটিস বা বাতের সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদের ৬২ শতাংশের শরীরেই প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভিটামিন ডি নেই। যাদের শরীরে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ কম, তাদের করোনারি আর্টারি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা ৩২ শতাংশ বেশি। ভিটামিন ডি-র ঘাটতিতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা আড়াই গুণ বেশি। সাইকিয়াট্রিক হেলথের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি-র গুরুত্ব অসীম। রক্তে ভিটামিন ডি কম থাকলে সিজোনফ্রেনিয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। ভিটামিন ডি-র ঘাটতি স্নায়ুর সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। ভিটামিন ডি-র অভাব শরীরকে কাবু করে ফেলে যার ফল অসময়ে মৃত্যু।

Friday, December 2, 2016

ফাস্টফুড চোখের ক্ষতি করে!


অতিরিক্ত ফ্যাটজাতীয় খাবার মানেই চোখে চশমা।




অতিরিক্ত ফ্যাটজাতীয় খাবার মানেই চোখে চশমা। অন্ধত্বের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে যাওয়া। এমনটিই জনিয়েছেন চিকিৎসকরা। ফাস্টফুড মানেই ফ্যাটজাতীয় খাবার। যা নানা রগের কারণও বটে। তাই ফাস্টফুডে অভ্যস্ত হয়েছেন তো মরেছেন! ফাস্টফুড কারণে হাজারো সমস্যার কথা চিকিৎসকরা বারবার জানিয়েছেন। অম্বল, গ্যাস, ওবেসিটি, কোলেস্টেরল, ব্লাড প্রেশার, এমনকি স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে ফাস্টফুডের কারণেই।  আমরা সবাই জানি, অতিরিক্ত ফ্যাটজাতীয় খাবার মানেই চোখের ক্ষতি! যা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্ধত্বও ডেকে আনতে পারে। কিন্তু কে শুনে সে কথা! জিভের লোভের সঙ্গে যে আমরা আপস করতে রাজি না।

Thursday, December 1, 2016

পাইলসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়

মলদ্বার ফুলে যাওয়া, মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ লক্ষণ।

বর্তমানে পাইলস বা হেমোরয়েড পরিচিত একটি রোগ। সাধারণত ৪৫ থেকে ৬৫ বয়সী মানুষজন এই রোগে বেশি ভুগে থাকেন। মলদ্বার ফুলে যাওয়া, মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ লক্ষণ। মূলত কম ফাইবারযুক্ত খাবার, স্থূলতা, কোষ্ঠকাঠিন্য,  শারীরিক কার্যকলাপ, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা ইত্যাদি কারণে পাইলস দেখা দিতে পারে। এই রোগে হলে সাধারণত ওষুধ বা অপারেশন মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। তবে ঘরোয়া উপায়েও অনেক সময় এ সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। যেমন:-

 * অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার অ্যালোভেরা জেল আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি জ্বালাপোড়া দূর করে ব্যথা কমিয়ে দেবে। যা সাময়িক কষ্ট লাগব করতে বেশ সহায়ক।

 * অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার একটি তুলোর বলে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। শুরুতে এটি জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করবে, কিন্তু ১০ মিনিট অপেক্ষা করার পরই জ্বালাপোড়া কমে যাবে। এটি দিনে কয়েকবার করুন।

* অলিভ অয়েলের গুণাগুণ  আপনি যদি প্রতিদিন এক চা চামচ করে অলিভ অয়েল খান। তবে এটি দেহের প্রদাহ হ্রাস করবে এবং মোনোস্যাচুরেটেড চর্বি উন্নত করবে। এছাড়া কিছু বরই পাতা গুঁড়ো করে অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এটি আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। দেখবেন ১০ মিনিটের মধ্যে আপনার ব্যথা কমে গেছে।

* বরফ ব্যবহার করুন একটি কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে ১০ মিনিট রাখুন। এটি দিনে কয়েকবার করুন। ব্যথা কমে যাবে।

* আদা বা লেবুর রস  আদাকুচি, লেবু এবং মধু মিশ্রিত জুস দিনে দুইবার পান করুন। এটি নিয়মিত পান করুন। এটি শরীর হাইড্রেটেড করে পাইলস দূর করে দেয়। এছাড়া দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন।